crest 2017

AWARD

On the Occasion of 8th Annual Classical Music Conference of Lakshyapar

লক্ষ্যাপার আজীবন সম্মাননা
২০১৬

উস্তাদ সুনীল কুমার ধর

Ustad Sunil Kumar Dhar

On the Occasion of 7th Annual Classical Music Conference of Lakshyapar

লক্ষ্যাপার আজীবন সম্মাননা
২০১৫
হিরন্ন দাস

Hiranna Das

 

On the Occasion of 6th Annual Classical Music Conference of Lakshyapar

লক্ষ্যাপার আজীবন সম্মাননা
২০১৪
মহরম আলী খান

Maharam Ali Khan

গুনী ট্রামপেট বাদক মহরম আলী খান ১৩৪৪ বাংলা সনে কুমিল্লা জেলার মুরাদ নগর থানার পালাসূতা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। পিতা মৃত: রবিউল্লাহ খান এবং মাতা: মৃত কুমদা বিবি। পিতা-মাতার সংসারে তারা ২ ভাই ও ১ বোন। তিনি ছাড়া তার অন্য ভাই এবং বোন দু’জনেই মৃত। ছোট বেলা থেকেই মহরম আলী ছিলেন সঙ্গীতের প্রতি অনুরাগী তাই তিনি ১০ বছর বয়সেই তার প্রথম উস্তাদ হোমনা থানার “ফোরন আলী খানের” কাছে তালিম নেওয়া শুরু করেন। মহরম আলী খান ছোট বেলা তেকেই মেধাবী হওয়ার দরুন প্রায় দুবছরের মধ্যেই সঙ্গীতের অনেক কিছু আয়ত্ত করে ফেলেন। তাই তিনি তার উস্তাদ “ফোরন আলী খানের” নির্দেশে ১২ বছর বয়সে তার উস্তাদের সঙ্গে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার, রোমেনী মেম্বারের বাড়ীতে দূর্গা পূজায় বাজাতে জান। এটাই ছিলো দর্শক শ্রোতাদের সামনে তার প্রথম বাজনা। সেখানে সে প্রচুর সুনাম ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি ভারত চলে যান। সেখানে তিনি আগরতলার গুনী উস্তাদ “পুলীনদেব বর্মার” শিষ্যত্ব গ্রহন করেন এবং বেশ কিছু দিন তালিম নেন। তার পর তিনি চলে যান তার ৩য় উস্তাদ আসামের শীলাচরের “শুকুর আলী মিয়ার” কাছে। সেখানেও তিনি অনেক দিন তালিম নেন এবং শাস্ত্রীয় সংঙ্গীতে বেশ দক্ষ হয়ে উঠেন। দেশের প্রতি মমত্ত্বো বোধ থাকার দরুন তিনি আবার দেশে ফিরে আসেন এবং যোগদান করেন তার কর্মজীবনে। তৎকালীন সময়ে আমাদের দেশে যাত্রা শিল্পের খুব প্রভাব থাকার দরুন এবং যাত্রা শিল্পকে সংস্কৃতির একটি বড় মাধ্যম হিসেবে গন্য করা হতো এবং যাত্রায় বাজানো বাদ্য যন্ত্রীদের ভালো সন্মানি এবং সম্মানী দেওয়া হতো তাই তিনি যাত্রা দলে বাদ্য যন্ত্রী হিসেবে যোগ দান করেন। প্রথম তিনি ব্রাহ্মনবাড়িয়ার “জয়দূর্গাঅপেরা” দিয়ে কর্ম জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে নবরঞ্জনঅপেরা-ময়মনসিংহে, কৃষ্ণকলিঅপেরা-নেত্রকোনা, বাসন্তীঅপেরা- পাবনা, গনেশঅপেরা-মানিকগঞ্জ, চারনিকনাট্যগোষ্ঠী-ঢাকা শংকর, বাবুলঅপেরা-চট্টগ্রাম সব মিলিয়ে তিনি প্রায় ২৮ বছর যাত্রা শিল্পে কর্মরত ছিলেন বেতারে কাজ করার সুযোগ এসেছিলো কয়েক বার যদিও সেখানে তিনি যুক্ত হননি। কর্ম জীবনে অনেক গুনী উস্তাদদের সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন যেমন নারায়নগঞ্জের গুনী সানাই শিল্পী উস্তাদ “শামসুল হক” এবং সিলেটের গুনী লোকজও শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পন্ডিত “রামকানাই দাস”। যাত্রা থেকে কর্ম বিরতী নেওয়ার পর থেকে তিনি ব্যান্ডপার্টিতে যুক্ত আছেন এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে পূজা বিয়ে ও ওরশমোবারকে বাজিয়েছেন এবং এখনোও মাঝে মাঝে অংশ গ্রহন করেন। স্ত্রী রেনুয়ারা বেগম ও ৫ ছেলে এবং ২ মেয়ে নিয়ে তার সাংসারিক জীবন। বড় ছেলে নাসির খান ও ৩য় ছেলে চানমিয়া ট্রামপেট বাদক, ২য় ছেলে মানিক খান ব্যবসায়ী, ৪র্থ ছেলে মনির হোসেন খান তবলা বাদক ও ৫ম ছেলে গৃহস্থ কর্মী। দুই মেয়ের মধ্যে দু’জনেই বিবাহিত এবং গৃহীনি। বর্তমানে মহরম আলী তার পেশা জীবনে ৬০ বছর পা রেখেছেন এবং তার ব্যক্তিগত বয়স ৭৭ বছর।

On the Occasion of 5th Annual Classical Music Conference of Lakshyapar

লক্ষ্যাপার আজীবন সম্মাননা
২০১৩
পণ্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী

Pandit Amaresh Roy Chowdhury

On the Occasion of 4th Annual Classical Music Conference of Lakshyapar

লক্ষ্যাপার আজীবন সম্মাননা
২০১২
পণ্ডিত রবিউল হোসেন

Pandit Robiul Hossain

On the Occasion of 3th Annual Classical Music Conference of Lakshyapar

লক্ষ্যাপার আজীবন সম্মাননা
২০১১
পণ্ডিত মদন গোপাল দাস

Pandit Madan Gopal Das

On the Occasion of 1st Annual Classical Music Conference of Lakshyapar

Pandit Shamsul Haq


There are no comments

Add yours